সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২০


প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) অধীনে এই নিয়োগ আগামী ২৫শে অক্টোবর রোববার থেকে শুরু হবে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের এই আবেদন শেষ হবে ২৪শে নভেম্বর।

রাজস্বখাতভুক্ত সহকারী শিক্ষকের শূন্যপদ এবং জাতীয়করণকৃত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পিইডিপি-৪ এর আওতায় প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির জন্য রাজস্বখাতে সৃষ্ট সহকারী শিক্ষক পদে জাতীয় স্কেলে ১৩তম গ্রেডে অস্থায়ীভঅবে এসব নিয়োগ দেয়া হবে। তবে তিন পার্বত্য জেলা- রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলার প্রার্থীরা এতে আবেদন করতে পারবেন না।

আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ২৫শে অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টা থেকে থেকে অনলাইনে dpe.teletalk.cob.bd-তে গিয়ে আবেদন করতে পারবেন। এবারও ফি সার্ভিস চার্জসহ ১১০ টাকা।

প্রার্থীদের বয়স ২০শে অক্টোবর সর্বনিম্ন ২১ বছর এবং গত ২৫শে মার্চ সর্বোচ্চ ৩০ বছর। মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে হবে ২৫শে মার্চ ৩২ বছর। শিক্ষাগত যোগ্যতা হবে কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএ-সহ স্নাতক বা সম্মান বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে। বিজ্ঞপ্তির বিস্তারিত dpe.teletalk.com.bd এই ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

সূত্র মানবজমিন

 

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২০

 

ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে অধ্যাদেশে সই করেছেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি

ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে অধ্যাদেশে সই করেছেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি

বাংলাদেশে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধন করে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের বিধান সংক্রান্ত একটি অধ্যাদেশে সই করেছেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি।

রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশের ফলে সংশোধিত আইনটি এখ্ন থেকেই কার্যকর হিসেবে জারি হল।

ধর্ষণ এবং যৌন নিপীড়নের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে প্রতিবাদ এবং বিক্ষোভের পর সোমবার আইনের সংশোধনীটি অনুমোদন করে বাংলাদেশের মন্ত্রিসভা।

রাষ্ট্রপতির জারি করা নতুন এই অধ্যাদেশে কি রয়েছে?

২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ধর্ষণ, ধর্ষণ জনিত কারণে মৃত্যু শাস্তি ইত্যাদি প্রসঙ্গে ৯ (১) ধারায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি এতদিন ছিল যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

তবে ধর্ষণের শিকার নারী বা শিশুর মৃত্যু হলে বা দল বেধে ধর্ষণের ঘটনায় নারী বা শিশুর মৃত্যু হলে বা আহত হলে, সর্বোচ্চ শাস্তি ছিল মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। সেই সঙ্গে উভয় ক্ষেত্রেই ন্যূনতম এক লক্ষ টাকা করে অর্থ দণ্ডের বিধানও রয়েছে।

সেই আইনেই পরিবর্তন এনে ধর্ষণ প্রমাণিত হলেই মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবনের বিধান রাখা হয়েছে। সেই সঙ্গে অর্থদণ্ডের বিধানও থাকছে।

প্রথমে ২০০০ সালে জারি করা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৩৪টি ধারার মধ্যে ১২টি ধারাতেই বিভিন্ন অপরাধের শাস্তি হিসাবে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার বিধান ছিল।

তবে পরবর্তীতে অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণ ও মানব পাচার সংক্রান্ত দুইটি আইনের অংশ আলাদা হয়ে যাওয়ার পর এই আইন থেকে বাদ দেয়া হয়।

ফলে এই আইনের সাতটি ধারায় মৃত্যুদণ্ডের বিষয়টি বহাল থাকে।

নতুন অধ্যাদেশে ৯ (১) ধারাটি সংশোধন করে যাবজ্জীবন অথবা মৃত্যুদণ্ডের বিধান আনা হয়েছে।


আইনের সংশোধিত অংশ

এর আগে এই ধারায় বলা হয়েছিল যে, যদি কোন পুরুষ নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করে, তাহলে তিনি যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং অতিরিক্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

বাংলাদেশের মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানিয়েছেন, এখন আইন সংশোধন করে 'যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের' বদলে ' মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড' শব্দগুলো প্রতিস্থাপিত হয়েছে।

অধ্যাদেশে ৮ নং ধারার ৩২ সংশোধন করে 'অপরাধের শিকার ব্যক্তির মেডিকেল পরীক্ষা' শব্দের পরিবর্তে অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং 'অপরাধের শিকার ব্যক্তির মেডিকেল পরীক্ষা' প্রতিস্থাপিত করা হয়েছে। অর্থাৎ এখন থেকে যিনি ধর্ষণের শিকার হয়েছেন, তার মেডিকেল পরীক্ষার পাশাপাশি যার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারও মেডিকেল পরীক্ষা করাতে হবে।

বাংলাদেশের আইনমন্ত্রী বলেছেন, ধর্ষণের সাজা মৃত্যুদণ্ড করায় এই অপরাধ কমে আসবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

সংসদ চলমান না থাকায় সংশোধিত আইনটি অধ্যাদেশ আকারে জারি করার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।

তবে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শাহদীন মালিক আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, এর আগেও এই আইনে কয়েকটি অপরাধে মৃত্যুদণ্ডের সাজা রয়েছে। তার সঙ্গে নতুন একটি ধারায় মৃত্যুদণ্ড যোগ করে সমস্যার সমাধান আসবে না।

ইরান, সৌদি আরব, মিশর, ইরাক, বাহরাইন ও উত্তর কোরিয়ার মতো বেশ কয়েকটি দেশে ধর্ষণের অপরাধে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে।

সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২০

 ঢাকার ৪৫ শতাংশ মানুষ কোভিড-১৯ আক্রান্ত

বাংলাদেশে সরকারের এক নতুন গবেষণা বলছে, ঢাকার বাসিন্দাদের শতকরা ৪৫ ভাগ মানুষের দেহে করোনাভাইরাসের অ্যান্টিবডি পাওয়া গেছে। এর মানে হচ্ছে এরা ইতোমধ্যেই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইইডিসিআর এবং আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ আইসিডিডিআর,বি যৌথভাবে এ গবেষণা পরিচালনা করেছে।

নতুন এই গবেষণা বলছে, কোভিড-১৯ শনাক্ত হওয়া মানুষের মধ্যে ৯৪ শতাংশই ছিলেন লক্ষ্মণ ও উপসর্গহীন।

গবেষণায় ঢাকার ১২,৬৯৯ জন মানুষের নমুনা পরীক্ষা করে দেখা গেছে, তার মধ্যে ৪৫ শতাংশ মানুষের শরীরে করোনাভাইরাসের অ্যান্টিবডি পজিটিভ।

বস্তি এলাকায় এই সংক্রমণের হার প্রায় শতকরা ৭৪ ভাগ।

আক্রান্তদের ২৪ শতাংশের বয়স ৬০ বছরের বেশি। এছাড়া ১৫ থেকে ১৯ বছর বয়সী মানুষের হার ১৮%।

গবেষণায় লক্ষ্মণ ও উপসর্গ নেই এমন ৮১৭ ব্যক্তির দেহের নমুনা পরীক্ষা করে তার মধ্যে ৫২৮ জনই কোভিড-১৯ শনাক্ত পাওয়া যায়।

এছাড়া উপসর্গ ছিলএমন ৫৫৩ জনের নমুনা পরীক্ষা করে তার মধ্যে ৪০০ জনের মধ্যে সংক্রমণ পাওয়া যায়।

সংক্রমণের হার নারীদের মধ্যে কম আগে এমন একটি ধারণা ছিল।

কিন্তু নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, যেদিন নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে, সেইদিন সংক্রমণের হারে নারী ও পুরুষের মধ্যে তেমন ফারাক দেখা যায়নি।

গবেষণার জন্য ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের মধ্য থেকে দৈবচয়ন ভিত্তিতে ২৫টি ওয়ার্ড বেছে নেওয়া হয়। এবং প্রতি ওয়ার্ড থেকে একটি মহল্লা বাছাই করা হয়।

করোনাভাইরাস পরীক্ষা

এ ছাড়া রাজধানীর আটটি বস্তিকে এ জরিপে যুক্ত করা হয়।

সোমবার ঢাকায় কোভিড-১৯-এর করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতি ও জিন রূপান্তর বিষয়ে এক ওয়েবিনারে নতুন গবেষণার তথ্য তুলে ধরা হয়।

করোনাভাইরাসের জিন বিশ্লেষণ করে গবেষকেরা অনুমান করছেন, ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি দেশে প্রথম করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঘটেছিল।

ওয়েবিনারে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেছেন, নতুন তথ্যে দেখা যাচ্ছে কেউই করোনাভাইরাস সংক্রমণের আশংকা থেকে মুক্ত নয়।

ফলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা ছাড়া কোন উপায় নেই।

শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২০

 ফেব্রুয়ারির এসএসসি পরীক্ষা আয়োজন অনিশ্চিত

দেশে দ্বিতীয় ধাপে করোনাভাইরাসের প্রকোপ শুরুর আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে ডিসেম্বরের মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা। মূলত শীতকালজুড়ে প্রাণঘাতী এ ভাইরাসের প্রকোপ চলমান থাকবে বলে আশঙ্কা করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। আর এতে ২০২১ সালের এসএসসি আয়োজন নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, করোনা দেশের অর্থনীতির ক্ষতির পাশাপাশি চরম ক্ষতি করেছে শিক্ষা খাতের। প্রায় এক বছর নষ্ট হয়েছে ইতোমধ্যে। তবে সরকার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে অনলাইন ক্লাস, টেলিভিশন পাঠদান চলমান রাখলেও সে সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশ। সামনে করোনার দ্বিতীয ঢেউ আসলে পাঠদানের ক্ষতির পাশাপাশি এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে নতুন সংশয় তৈরি হবে।

সাধারণত বছরের জুলাই মাসে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রাক-নির্বাচনী আর অক্টোবরে নির্বাচনী পরীক্ষা নেয়া হয়। আর দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রাক-নির্বাচনী বা অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা জুলাই-আগস্টে এবং ডিসেম্বরে নির্বাচনী পরীক্ষা হয়। এরপর নভেম্বরে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণ এবং ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণ করা হয়। ইতোমধ্যে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা বাতিল হয়ে গেছে। আগামী বছরের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের একাদশ শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষাও হয়নি। একাদশ শ্রেণিতে কলেজ পর্যায়ে নেয়া বিভিন্ন ক্লাস টেস্ট আর অর্ধবার্ষিক পরীক্ষার ফলের ওপর ভিত্তি করে এসব শিক্ষার্থীকে ‘অটো পাস’ দেয়া হয়েছে।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, প্রতি বছর ফেব্রুয়ারিতে এসএসসি এবং এপ্রিলে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। করোনাকালে প্রাতিষ্ঠানিক পাঠদান বন্ধ। সরাসরি পরীক্ষা বা ক্লাস টেস্ট নেয়ারও কোনো সুযোগ নেই। এ কারণে পরীক্ষা যথাসময়ে শেষ করাটা কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পরীক্ষা ও ক্লাস সংক্রান্ত যেকোনো সিদ্ধান্ত নেয়া বাস্তবায়ন করা যেতে পারে।

জানা গেছে, নভেম্বরে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হবে, তখন সংক্রমন আরও বাড়তে পারে। সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছেনম দ্বিতীয় ঢেউ এলে, সংক্রমণ বাড়লে তখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে সংশয় রয়েছে। সে হিসেবে এ বছর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা অনিশ্চিত। তাছাড়া শীতকালে করোনার প্রকোপ থাকলে সে হিসেবে নতুন বছরের শুরুতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা যাবে কিনা তা নিয়েও সংশয় রয়েছে।

জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সচিব আকরাম আল হোসেন বলেন, যেহেতু শীত প্রধান দেশে এর প্রকোপ বেশি। আমাদের দেশে শীত শুরু হয় মূলত নভেম্বরের শেষ থেকে। ডিসেম্বর থেকে এর প্রকোপ বাড়তে থাকে। এ সময়ের মধ্যে করোনার প্রকোপ বাড়তে পারে। আর করোনা বাড়লে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সুযোগ নেই। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে শিক্ষার্থীদের সশরীরে কোনো ক্লাস বা পরীক্ষা নেয়া যাবে না। পরিস্থিতি অনুযায়ী সরকার সিদ্ধান্ত নেবে।

 

 

শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২০


 

বাতিল এইচএসসি পরীক্ষা: রেজাল্ট নিয়ে আতঙ্কিত রাজশাহীর লাখো শিক্ষার্থী

 

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

করোনা মহামারীর জন্য হচ্ছেনা এবারের এইচএসসি পরীক্ষা । করোনাতে কলেজ বন্ধ থাকলেও পরীক্ষা ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রস্তুতি নিতে অনেকেই ঘুমেরও সুযোগ পায়নি।

করোনার কারনে এইচএসসি পরীক্ষা বাতিল হওয়ায় রাজশাহীর প্রায় দুই লাখ শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনেকটা আতঙ্কও বিরাজ করছে কীভাবে রেজাল্ট হবে, কোথায় ভর্তি হবে।

রাজশাহী শাহ মখদুম কলেজের শিক্ষার্থী ওরফি ফারজানা মরিয়ম। সে জানায়,তার এসএসসি পরীক্ষায় তার প্রত্যাশিত ফলাফল সে পায়নি। যার ফলে এবার সে তার প্রস্তুতি অনেক ভালোভাবে নিয়েছিলো। করোনা মহামারীর ছুটির কারনে বাসায় বসে সে আরো ভালো প্রস্তুতি নিতে পেরেছিলো। যার ফলে সে আশাবাদী ছিলো তার এবারের ফলাফল ভালো হবে। কিন্তু এইচএসসি পরীক্ষা বাতিল এবং এসএসসি এবং জেএসসি পরীক্ষার ফলাফল অনুসারে ফল দেওয়ার সিন্ধান্ত হওয়ায় সে সঙ্কিত তার আশানুরূপ ফলাফল নিয়ে।

মোহাইমিনুর রহমান। রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী। তিনি সিল্কসিটি নিউজকে কে জানায়, করোনা পরিস্থিতিতে পরীক্ষা না নিয়ে শিক্ষামন্ত্রনালয় একদিকে যেমন ভালো সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো কিন্তু অন্যদিকে এইচএসসি পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্ত দেখে সে মর্মাহত। তার এসএসসি এবং জেএসসি উভয় পরীক্ষায় জিপিএ ৫ থাকলেও তার অনেক মেধাবী সহপাঠী সে সময় জিপিএ ৫ পায়নি। কিন্তু দেখা যাচ্ছে এবার তাদের প্রস্তুতি অনেক ভালো। তারা এবার ভালো ফলাফল করতে সক্ষম হতো। কিন্তু এসএসসি এবং জেএসসির ফলাফলের উপর ভিত্তি করে ফল প্রকাশ করায় তা সম্ভব হচ্ছেনা। আরও জানায়, পরবর্তী ভর্তি পরীক্ষায় এবং চাকুরির ক্ষেত্রে তাকে এবং তার এই ফলাফল কে কিভাবে মূল্যায়িত করা হবে এই নিয়ে চিন্তিত। সে আশাবাদী শিক্ষামন্ত্রী এমন একটা সিদ্ধান্তে উপনীত হবে যাতে সঠিক মেধার যাচাই সম্ভব হবে।

মসজিদ মিশন একাডেমি কলেজের শিক্ষার্থী সিদরাতুল মুনতাহ্ পুষ্প। সে জানায়, করোনা মহামারীর মধ্যে পরীক্ষা হবে কিনা এই নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বের মধ্যে দিয়ে সময় পার করছিলো সে। আজ সরকারের সিদ্ধান্তে নিশ্চিত হতে পেরেছে সে। সরকারের এই সিদ্ধান্তে সে খুশি এবং পরবর্তীতে ভর্তিতে সরকার আরো ভালো পদক্ষেপ নিবে বলে আশাবাদী। প্রসঙ্গত, এবার এইচএসসি পরিক্ষা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রী। তবে জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার উপর ভিত্তি করে ফলাফল মূল্যায়ন করা হবে বলে জানান তিনি।

এইচএসসির বিষয়ে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা চেয়ে আইনি নোটিশ

 

 

 

করোনার কারণে আটকে থাকা এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা এবছর না নেওয়ার যে সিদ্ধান্ত হয়েছে তা পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছেন এক শিক্ষার্থী।

আজ বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে রেজিস্ট্রি ডাক যোগে শতাব্দী রায় নামের ওই উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর পক্ষে নোটিশটি পাঠান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খান।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ছাড়াও মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিভাগের সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং ৯টি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানকে বিবাদী করে এই নোটিশ পাঠানো হয়।

আগামী ৩ দিনের মধ্যে নোটিশে উল্লেখিত দাবি মেনে না নিলে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে ।

শতাব্দী রায় সাভারে অবস্থিত মোফাজ্জল-মোমেনা চাকলাদার মহিলা কলেজের উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থী এবং ২০২০ সনের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার একজন পরীক্ষার্থী।

শতাব্দী রায়ের আইনজীবী ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খান নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, নোটিশে শিক্ষার্থী দাবি করেছেন, জেএসসি ও এসএসসির ফলের ওপর ভিত্তি করে উচ্চ মাধ্যমিকের ফল প্রস্তত করলে তিনিসহ অনেক শিক্ষার্থী উচ্চ মাধ্যমিকে ভালো ফল করার প্রস্তুতি থাকার পরও ভালো ফল থেকে বঞ্চিত হবেন আগের জিপিএর কারণে।

নোটিশে বলা হয়েছে, জেএসসি ও এসএসসির ফলের গড় করার কারণে একদিকে যেমন অনিয়মিত, একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য, প্রস্তুতিহীন শিক্ষার্থীর জন্য সুযোগ তৈরি হবে, তেমনি কোনো কারণে জেএসসি কিংবা এসএসসিতে কম জিপিএ পাওয়া মেধাবী, পরিশ্রমী শিক্ষার্থীরা তাদের প্রচেষ্টা প্রমাণে ব্যর্থ হবে। পূর্বের ফলাফলের গড় করে পরবর্তী পরীক্ষার ফলাফল নির্ধারণ এক ধরনের জোরপূর্বক এবং বেআইনি বলে নোটিশে বলা হয়েছে, যা দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ আইনত করতে পারেন না।

গতকাল বুধবার এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এবছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা না নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘২০২০ সালের এইচএসসি পরীক্ষা সরাসরি গ্রহণ না করে ভিন্ন পদ্ধতিতে মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এরা দুটি পাবলিক পরীক্ষা অতিক্রম করে এসেছে। এদের জেএসসি ও এসএসসির ফলের গড় অনুযায়ী এইচএসসির ফল নির্ধারণ করা হবে।’

দীপু মনি জানান, যারা এইচএসিতে বিভাগ পরিবর্তন করেছে, তাদের মূল্যায়নের জন্য একটি টেকনিক্যাল কমিটি করা হয়েছে। কমিটির মতামতের ভিত্তিতে বিভাগ পরিবর্তনকারী শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হবে। ডিসেম্বরের মধ্যে এইচএসসির চূড়ান্ত মূল্যায়ন শেষ করা হবে। যাতে জানুয়ারি থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিপ্রক্রিয়া শুরু করা যায়। আমরা এবার বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তিপ্রক্রিয়া চালু করার চেষ্টা করছি। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে পরীক্ষা হবে না ফলাফলের ভিত্তিতে হবে সেটা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোই ঠিক করবে। সূত্র: কালের কণ্ঠ

 

স্কুল-কলেজে সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিন করার প্রস্তাব

আগামী ২০২২ সালে নতুন কারিকুলামে কর্মঘণ্টা কমবেশি করে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের স্কুল এবং উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে কলেজে সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিন করার আলোচনা চলছে। বিষয়টি নিয়ে প্রাথমিক পর্যায়ে একটি আলোচনা মন্ত্রী-সচিবের সামনে উপস্থাপন করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্য পুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।

তবে এ বিষয়টি নিয়ে কোনো সুপারিশ বা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে এনসিটিবি এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে।

গণমাধ্যমকে বিষয়টি জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন।

তিনি বলেন, গত মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। ওই বৈঠকে শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির বিষয়ে এনসিটিবির (জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড) প্রস্তাবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও আমরা (প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়) সম্মত হয়েছি। বিষয়টি নিয়ে এনসিটিবি কাজ করছে।

এনসিটিবি চেয়ারম্যান নারায়ণ চন্দ্র বলেন, কারিকুলাম বছরে কত ঘণ্টা হবে, এ ধরনের একটা খসড়া প্রেজেন্টেশন মন্ত্রী-সচিবের সামনে আমরা দিয়েছি। এটা কোনো প্রস্তাব না, কিছু না। আমরা বলেছি যে, বছরে এত দিন যদি ক্লাস পাওয়া যায়, এত ঘণ্টা যদি ক্লাস থাকে বা সপ্তাহে যদি ৫ দিন খোলা থাকে, দুই দিন ছুটি থাকে তাহলে কী অবস্থা হবে। এটার একটা প্রতিচ্ছবি কারিকুলামে দেখিয়েছি। এটা বন্ধ হবে বা প্রাস্তাবনাও না।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সরকারি ছুটি সপ্তাহে দুই দিন শুক্র ও শনিবার। কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি শুধু শুক্রবার। এই ছুটি বাড়াতে প্রস্তাব করে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।

প্রস্তাবে বলা হয়, ছুটি বাড়ালেও শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রমে কোনো ক্ষতি হবে না। সাপ্তাহিক এই দুইদিন ছুটির সিদ্ধান্ত ২০২২ সাল থেকে বাস্তবায়নের প্রস্তাব করেছে এনসিটিবি। তবে দুই মন্ত্রণালয় চাইলে যেকোনো সময় এই ছুটির সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা যেতে পারে।

 

সূত্রঃ কালের কণ্ঠ

 

পরীক্ষা না হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে যেসব জটিলতা তৈরি হতে পারে


করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে চলতি বছর জেএসসি ও এসএসসি’র ফলাফলের গড়ের মাধ্যমে এইচএসসির ফল নির্ধারণের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরণের জটিলতা তৈরি হবে বলে মনে করছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা।

বাংলাদেশে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয় যে কোনো শিক্ষার্থীর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি পরীক্ষা দেয়ার যোগ্যতা আছে কি না। আর অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার ফলও নির্ভর করে এই দুই পাবলিক পরীক্ষার ফলাফলের ওপর।

পাশাপাশি, ইঞ্জিনিয়ারিং বা মেডিকেলে পড়তে চাইলে পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, গণিতের মত কয়েকটি নির্দিষ্ট বিষয়ে ন্যুনতম গ্রেড প্রয়োজন হয়।

তাই পরীক্ষা না নিয়ে জেএসসি ও এসএসসি’র ফলের ওপর ভিত্তি করে এইচএসসি’র ফলাফল দেয়া হলে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তিতে জটিলতা তৈরির সম্ভাবনা থাকে।

যে ধরণের জটিলতা তৈরি হতে পারে

বর্তমান নিয়মে বাংলাদেশে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় পাওয়া মোট নম্বরের ৪০ ভাগ এসএসসি ও এইচএসসি’র ফলাফলের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়ে থাকে। তাই এই নিয়মে ভর্তি পরীক্ষা হলে শিক্ষার্থীদের যথাযথ মূল্যায়ন হবে না বলে মন্তব্য করেন শিক্ষা গবেষক সিদ্দিকুর রহমান।

তিনি বলেন, “এসএসসি’র ১০%, এইচএসসি’র ৩০% ও ভর্তি পরীক্ষার ৬০% নিয়ে পরীক্ষার ফলাফল নির্ধারণ করা হতো। কিন্তু এবার এইচএসসি পরীক্ষা না হওয়ায় ঐ ৩০% আর থাকছে না, কাজেই ভর্তি পরীক্ষার ওপর জোর বেশি দিতে হবে।”

এইচএসসি’র ফল এসএসসি ও জেএসসি’র ফলের গড়ের মাধ্যমে হওয়ায় ভর্তি পরীক্ষায় এইচএসসি’র ফল গণনা করা যুক্তিযুক্ত হবে না বলে মনে করেন সিদ্দিকুর রহমান।

জেএসসি পর্যায় পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীদের একই বিষয় পড়তে হয়। এসএসসি’তে বিভাগ আলাদা হওয়ার পাশাপাশি আলাদা আলাদা বিষয়ে পরীক্ষা দিতে হয় বলে এইচএসসি’র সব বিষয়ের ফল এই দুই পরীক্ষার গড়ের মাধ্যমে নির্ধারণ করা সম্ভব নয়।

সিদ্দিকুর রহমান বলেন, “যেই বয়সে শিক্ষার্থীরা জেএসসি পরীক্ষা দেয়, সেই বয়সে তাদের মানসিক পরিপক্কতা আসে না। ঐ পরীক্ষার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে এইচএসসি’র ফল নির্ধারণ করা যুক্তিসঙ্গত বা বিজ্ঞানসম্মত নয়।”

তবে যেসব শিক্ষার্থী এসএসসি থেকে এইচএসসি’তে বিভাগ পরিবর্তন করেছে, তাদের ফল নির্ধারণ করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি জটিলতা তৈরি হবে বলে মনে করেন সিদ্দিকুর রহমান।

“কেউ হয়তো এসএসসিতে বিজ্ঞান বিভাগে ছিল, কিন্তু এইচএসসির সময় পরিবর্তন করে মানবিক বিভাগ নিয়েছে। ঐ বিভাগের নম্বরের ভিত্তিতে বর্তমান বিভাগে ফলাফল দেয়া হলে তা একেবারেই যুক্তিযুক্ত হবে না।”

আর এই জটিলতার ফলে সরকারি প্রকৌশল এবং মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি পরীক্ষায় যোগ্যতা নির্ধারণের ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হতে পারে বলে মনে করেন মিসিদ্দিকুর রহমান।

এছাড়া এইচএসসি পরীক্ষার পর যেসব শিক্ষার্থী দেশের বাইরের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে চান, তারাও ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন সিদ্দিকুর রহমান।

“পরীক্ষা না নিয়েই মূল্যায়ন করার ফলে বিদেশের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ই হয়তো এই শিক্ষার্থীদের নিতে চাইবে না। তবে এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতির উপর নির্ভর করে।”

পরামর্শক কমিটি কী বলছে?
গত ৭ই অক্টোবর শিক্ষা মন্ত্রী দীপু মনি জানিয়েছিলেন জেএসসি ও এসএসসি’র ফলের ভিত্তিতে কীভাবে এইচএসসি’র ফল ঠিক করা হবে, তা নির্ধারণ করবে এই বিষয় সংক্রান্ত একটি পরামর্শক কমিটি।

এই পরামর্শক কমিটির একজন সদস্য ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক জিয়াউল হক জানান, ঠিক কোন নীতি অনুসরণ করে ফলাফল নির্ধারিত হবে সেবিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া না হলেও তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণের কাজ করা হচ্ছে।

জিয়াউল হক বলেন, “কীভাবে জেএসসি পরীক্ষা ও এসএসসি পরীক্ষার বিষয়গুলো যুক্ত করে এইচএসসি’র বিষয়গুলোর সাথে সম্পৃক্ত করা যায়, তা নিয়ে পরামর্শক কমিটির পাশাপাশি আমাদের নিজস্ব টেকনিক্যাল কমিটিও কাজ করছে।”

তিনি জানান, এসএসসি থেকে এইচএসসি’তে যেসব শিক্ষার্থী বিভাগ পরিবর্তন করেছে, তাদের বিষয়টিও পর্যালোচনা করছে কমিটি।

“শুধু বিজ্ঞান থেকে মানবিক বা ব্যবসা শিক্ষায় নয়, কারিগরি শিক্ষা বা মাদ্রাসা থেকে সাধারণ শিক্ষায় যোগ দেয় শিক্ষার্থীরা। আবার প্রাইভেট, মান উন্নয়ন শিক্ষার্থীও আছে। এই প্রতিটি ক্ষেত্রই আমরা শনাক্ত করেছি এবং একটার সাথে আরেকটাকে সম্পৃক্ত করতে যা করা দরকার তা নিয়ে কাজ করছি।”

তবে এইচএসসি পরীক্ষা না নেয়া হলেও বিদেশে পড়ালেখা করতে যাওয়ার ক্ষেত্রে এই শিক্ষার্থীরা সমস্যার মধ্যে পড়বে না বলে মনে করেন জিয়াউল হক।

“আমাদের দেশ থেকে বিদেশে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির সময় তারা শুধু দেখে যে শিক্ষার্থী টুয়েলভ গ্রেড পর্যন্ত পড়ালেখা করেছে কিনা। এরপর শিক্ষার্থীর মেধা যাচাইয়ের প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয় নিজস্ব পদ্ধতিই অবলম্বন করে।”

“আর সারা পৃথিবীতে অনেক জায়গাতেই করোনাভাইরাস মহামারির কারণে পাবলিক পরীক্ষা বা এক্সিট এক্সামগুলো নেয়া সম্ভব হয়নি। কাজেই আমাদের শিক্ষার্থীদের ভিন্নভাবে যাচাই করা হবে বলে আমার মনে হয় না।”

 

 

মেডিকেলসহ ৯ শ্রেণির ভারতীয় ভিসা পুনরায় চালু

 

বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য অনলাইন ভিসা আবেদন সেবা পুনরায় চালুর ঘোষণা দিয়েছে ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন।

পর্যটন ছাড়া চিকিৎসা, ব্যবসায়, চাকরি, এন্ট্রি, সাংবাদিক, কূটনীতিক, কর্মকর্তা, জাতিসংঘের কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের কূটনীতিকেরা ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

 

শিগগিরই ভিসার অন্যান্য বিভাগগুলো পুনরায় আবার চালু করা হবে বলে আজ শুক্রবার জানিয়েছে হাইকমিশন।

এর আগে, গত ১২ মার্চ মহামারি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রোধে সব দেশের নাগরিকদের ভিসা দেওয়া স্থগিত ঘোষণা করে ভারত।

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২০

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২০

       OUR E-MAIL

                                uctcraj@gmail.com

                                uctcraj@yahoo.com


প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) অধীনে ...